স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স'হবা'স করা জায়েজ: ইসলামের স্পষ্ট বিধান কি জেনে নিন ...

 

স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স'হবা'স করা জায়েজ: ইসলামের স্পষ্ট বিধান কি জেনে নিন ...

 





ছবিটিতে যে লেখাটি দেখা যাচ্ছে, তার মূল বক্তব্য হলো:


“স্ত্রী ছাড়া যাদের সাথে সহবাস করা বৈধ—জেনে নিন তারা কে?”


এটি ইসলামী শরীয়াহর একটি বিষয়, তাই সংক্ষেপে পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করছি—


ইসলামে সহবাস কার সাথে বৈধ?


ইসলাম অনুযায়ী যৌন সম্পর্ক (সহবাস) শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের মাধ্যমে বৈধ হয়। অর্থাৎ—


✅ ১. বৈধ স্ত্রী


একজন পুরুষের জন্য সহবাস সম্পূর্ণ হালাল ও বৈধ হয় নিজের বৈধভাবে বিবাহিত স্ত্রীর সাথে।


কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন (সুরা আল-মুমিনুন ২৩:৫–৭):


“তারা নিজেদের লজ্জাস্থান হেফাজত করে, তবে তাদের স্ত্রী বা তাদের অধিকারভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে নয়…”


✅ ২. ‘অধিকারভুক্ত দাসী’ (ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট)


কুরআনের আয়াতে “মা মালাকাত আইমানুহুম” (অধিকারভুক্ত দাসী) বলা হয়েছে।


এটি ছিল প্রাচীন যুদ্ধবন্দী/দাসপ্রথার সময়ের একটি সামাজিক বাস্তবতা।


⚠️ বর্তমান যুগে দাসপ্রথা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত ও আইনগতভাবে নিষিদ্ধ, তাই এখন বাস্তবে এই বিধান প্রযোজ্য নয়।


সুতরাং বর্তমান সময়ে একমাত্র বৈধ স্ত্রী ছাড়া কারও সাথে সহবাস বৈধ নয়।


❌ যাদের সাথে সহবাস হারাম


বিয়ে ছাড়া কোনো নারী (গার্লফ্রেন্ড, প্রেমিকা ইত্যাদি)


পরনারী (অন্যের স্ত্রী)


আত্মীয় যাদের সাথে বিয়ে হারাম (মা, বোন, খালা ইত্যাদি)


সমকামী সম্পর্ক (ইসলামে নিষিদ্ধ)


বিবাহবহির্ভূত যেকোনো সম্পর্ক


এগুলো ইসলামে যিনা (ব্যভিচার) হিসেবে গণ্য এবং কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।


সারসংক্ষেপ


👉 বর্তমান সময়ে ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী শুধুমাত্র বৈধ বিবাহিত স্ত্রী ছাড়া অন্য কারও সাথে সহবাস বৈধ নয়।

Comments

Popular posts from this blog

প্রাচীন রোমের এক ব্যক্তি ছিলেন সাইমন (Cimon)। তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়—শাস্তি ছিল ভয়ংকর:

মহিলারা স্বা"মী ছাড়া৩ ব্যা"ক্তির সাথে সহ"বাস কোনো পাপ হবেনা ল"জ্জা নয় জানতে হবেে#বিস্তারিত_কমেন্টে

ইরান যু*দ্ধের মধ্যেই ফের ভাইরাল বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী....see more