স্ত্রীর দু'ধ পান করা কি জায়েজ: হাদিস যা বলছে
স্ত্রীর দু'ধ পান করা কি জায়েজ: হাদিস যা বলছে
সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট উত্তর:
ভুলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রী যদি স্বামীর দুধ পানও করে ফেলে—তাতে বিবাহ বাতিল হয় না। ইসলামে এটাকে দুধ-সম্পর্ক (রিযা‘আত) ধরা হয় না।
কারণ ও দলিল (হাদিসের আলোকে)
ইসলামে **রিযা‘আত (দুধ-সম্পর্ক)**成立 হওয়ার জন্য কয়েকটি শর্ত আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—
শিশুকাল: দুধ পান করতে হবে শিশু বয়সে (দুই বছরের মধ্যে)।
প্রাপ্তবয়স্ক হলে নয়: বড়/প্রাপ্তবয়স্ক কারো দুধ পান করলে রিযা‘আত成立 হয় না।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেন:
“দুধ-সম্পর্ক কেবল ক্ষুধা নিবারণের সময়েই হয়।”
(সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)
অর্থাৎ, যে দুধ পান শিশুর ক্ষুধা মেটায় (শিশুকালে)—সেটাই রিযা‘আত। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য নয়।
আরেক হাদিসে আয়িশা (রা.) থেকে এসেছে—
“পাঁচবার পূর্ণ দুধ পান করলে তবেই রিযা‘আত প্রমাণিত হয়।”
(সহিহ মুসলিম)
এগুলো সবই শিশুর জন্য, স্বামী-স্ত্রীর ক্ষেত্রে নয়।
ফিকহি সিদ্ধান্ত
স্ত্রী প্রাপ্তবয়স্ক
দুধ পান শিশুকালে ন
তাই রিযা‘আত成立 হয় না
বিবাহ সম্পূর্ণ বৈধ ও বহাল থাকে
উপসংহার
✅ বিবাহ বাতিল হয় না
✅ স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হারাম হয় না
✅ গুনাহের বিষয়ও নয় যদি ভুলে হয়ে থাকে
.

Comments
Post a Comment