আপনি যদি ২টা পাপ কাজ করেন, তাহাজ্জুদের নামাজ পড়লেও আপনার দোয়া কবুল হবে না।

 আপনি যদি ২টা পাপ কাজ করেন, তাহাজ্জুদের নামাজ পড়লেও আপনার দোয়া কবুল হবে না।



​এমনকি আপনি কাবা শরিফের গিলাফ ধরে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে দোয়া করলেও তা কবুল হবে না।


​নবি করিম (সাঃ) বলেছেন, বান্দা যখন তার রবকে ডাকে, রব বলেন, (কবুল)। অর্থাৎ, আপনি যখনই আপনার রবকে ডাকবেন, তখনই তিনি আপনার ডাকে সাড়া দেবেন।


​►কিন্তু দুই শ্রেণির মানুষ এমন আছে, যারা এত বেশি অন্যায় করে যে তারা যদি তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে, যদি কাবা শরিফের গিলাফ ধরে মক্কায় কাবায় গিয়েও আল্লাহর কাছে দোয়া করে, আল্লাহ তাদের দোয়া কখনো কবুল করবেন না।


​"এটা খুব মারাত্মক কথা। নবী করিম (সাঃ) বলেছেন: "আমার উম্মতরা যখন আমার রবকে ডাকে, রব তখন তার বান্দার ডাকে সাড়া দেন।" কিন্তু দুই শ্রেণির মানুষের ডাকে তাদের রব কখনো সাড়া দেন না।


​১। প্রথমত, যারা অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ ভোগ করে। বিশেষ করে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা, যারা সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাদের দেখা যায় যে মানুষের জায়গা-জমি নিজের মতো করে ব্যবহার করে। এগুলো আবু জাহেলের কাজ। আবু জাহেল যখন ক্ষমতায় ছিল। তখন মানুষের সম্পদ নিজের সম্পদ মনে করে ব্যবহার করতো। মানুষ তার কাছে কোনো আমানত রাখলে সে আমানত কখনো ফিরিয়ে দিত না। মানুষের সম্পদ দখল করে সারাজীবন ভোগ-বিলাসে কাটিয়ে দিয়েছে। সুতরাং, আজকে যারা অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ ভোগ করে, তাদের মনে রাখতে হবে যে এরা কখনো মুহাম্মদ (সাঃ)-এর উম্মত হতে পারে না। এরা আবু জাহেলের গোষ্ঠী।


​~ এই কারণে প্রিয় ভাইয়েরা আমার, যারা অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ ভোগ করে, তাদের দোয়া আল্লাহ সুবহানাল্লাহু ওয়াতায়ালা কখনো কবুল করেন না।


​"যদি আপনি দোয়া কবুল করতে চান, অবশ্যই আপনাকে হালাল পথে উপার্জন করতে হবে। অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ কখনো ভোগ করতে পারবেন না। আল্লাহ তাঁর বান্দার হোক খাওয়া কখনো পছন্দ করেন না। যদি তা করেন, তাহলে আল্লাহ পাক কখনো আপনার সেই দোয়াগুলো কবুল করবেন না।


​২। দ্বিতীয়ত, যারা সবসময় জিনা বা ব্যভিচারে লিপ্ত থাকে। আপনি শুধু মনে করবেন না যে একটা মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করাটাই শুধু জিনা। আপনি যদি ফেসবুকে খারাপ ভিডিও দেখেন, সেটাও জিনার শামিল। আপনি যদি হেঁটে হেঁটে কোনো নারীকে দেখতে যান, সেটাও আপনার পায়ের জিনা, চোখের জিনা। সবকিছুতেই জিনা হয়ে যায়। সুতরাং, যারা এই ধরণের হারাম সম্পর্কের মধ্যে জড়িত আছে, তাদের দোয়া আল্লাহ কবুল করবেন না।


​'কারণ তারা গার্লফ্রেন্ডের সাথে কথা বলে, সেটাও জিনার অন্তর্ভুক্ত, গার্লফ্রেন্ডের চোখ দিয়ে দেখা, সেটাও জিনা, গার্লফ্রেন্ডকে হাত দিয়ে ধরে, সেটাও জিনা হয়। আর এতগুলো জিনা যারা করে, যাদের জিনার সাথে সম্পর্ক, যারা জিনা করতে করতে জীবন কাটায়, তাদের দোয়া আল্লাহ পাক কখনো কবুল করবেন না।


​~খুব মারাত্মক কথা, নবী করিম (সাঃ)-এর এক হাদিস শরিফে আছে, তিনি বলেছেন, "আমার উম্মত যখন চুরি করে তখন তার থেকে ঈমান চলে যায়, যেমন: হারাম সম্পর্ক~ তিনি আরো বলেন; "আমার উম্মত যখন জিনা বা ব্যভিচারে লিপ্ত হয়, তার থেকে ঈমান চলে যায়। আমার উম্মত যখন মদ খায়, তখন তার থেকে ঈমান চলে যায়।

©️ Nur Islam  


#islamicpost #islamicstory #nur_islam790 #viral

Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

প্রাচীন রোমের এক ব্যক্তি ছিলেন সাইমন (Cimon)। তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়—শাস্তি ছিল ভয়ংকর:

মহিলারা স্বা"মী ছাড়া৩ ব্যা"ক্তির সাথে সহ"বাস কোনো পাপ হবেনা ল"জ্জা নয় জানতে হবেে#বিস্তারিত_কমেন্টে

ইরান যু*দ্ধের মধ্যেই ফের ভাইরাল বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী....see more