প্রবাসে টাকাগুলা কিভাবে কামাই করে শুনুন ♥..see more
প্রবাসে টাকাগুলা কিভাবে কামাই করে শুনুন ♥
দূর দেশের এক শহরে থাকত বাংলাদেশের একটি মেয়ে—নাম তার নুসরাত। নিজের পরিবারকে সুখে রাখতে, মা-বাবার মুখে হাসি ফোটাতে সে ছোট্ট গ্রাম ছেড়ে প্রবাসে পাড়ি দিয়েছিল।
সেখানে সে কাজ করত এক বয়স্ক মালিকের বাড়িতে। মালিকটির বয়স প্রায় ৬০ বছর। মানুষটি একা থাকত, তাই নুসরাতকে শুধু কাজই না—বাড়ির সবকিছু দেখাশোনা করতে হতো।
ভোর হোক বা গভীর রাত, মালিকের যা দরকার হতো—খাবার, ওষুধ, ঘরের কাজ—সবকিছু হাসিমুখে করে দিত নুসরাত।
অনেক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়ত সে। রাতের বেলায় জানালার পাশে দাঁড়িয়ে দূরের আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবত—“কবে আবার নিজের দেশে ফিরব, মা-বাবার মুখ দেখব?”
মালিকও বুঝত মেয়েটির কষ্ট। তাই তার পরিশ্রম দেখে তাকে ভালো বেতন দিত, মাঝে মাঝে বাড়তি টাকাও দিত। সেই টাকা নুসরাত প্রতিমাসে দেশে পাঠাত।
গ্রামের ছোট ঘরটি ধীরে ধীরে পাকা ঘরে বদলে গেল, ছোট ভাইয়ের পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে পারল।
কিন্তু কেউ জানত না—এই সুখের পেছনে কত রাতের ঘুম হারানো, কত কষ্ট লুকিয়ে আছে।
নুসরাত শুধু একটা কথাই মনে রাখত—
“আজকের কষ্টই হয়তো আগামী দিনের সুখের দরজা খুলে দেবে।”
একদিন সে ঠিক করল, আর কিছুদিন পর দেশে ফিরে যাবে। তখন মা-বাবার পাশে বসে বলবে—
“প্রবাসের কষ্ট ছিল, কিন্তু তোমাদের জন্যই সব সহ্য করেছি।” 🤲
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment