যে ৩ সময় জিনা করার পরেও আপনার কোন জিনা হবে না! দেখুন কিভাবে.

 যে ৩ সময় জিনা করার পরেও আপনার কোন জিনা হবে না! দেখুন কিভাবে.






একদমই না। এক বিন্দুও গুনাহ নেই।




























ইসলাম কী বলে? ধ/র্ষ/ণ মানে হলো জোরপূর্বক স*হ*বা*স, যেখানে নারীর কোনো সম্মতি নেই। আর ইসলামে জিনা হওয়ার শর্তই হলো স্বেচ্ছায়, ইচ্ছাকৃতভাবে স*হ*বাস করা। 📖 কুরআনের মূলনীতি
































> “কোনো আত্মাকে তার সাধ্যের বাইরে দায়িত্ব দেওয়া হয় না।”
































(সূরা বাকারা ২:২৮৬)
































যে কাজ জোর করে করানো হয়েছে, সেখানে ভুক্তভোগী দায়ী নয়। হাদিস থেকে প্রমাণ
































রাসূল ﷺ বলেছেন: “আমার উম্মতের ওপর থেকে ভুল, ভুলে যাওয়া ও জোর করে করানো কাজের গুনাহ তুলে নেওয়া হয়েছে।”
































































(ইবন মাজাহ)✔️ তাই: ধ/র্ষ/ণে"র শিকার নারী পবিত্র
































সে জিনাকারিণী নয়, তার কোনো গুনাহ নেই। বরং সে মজলুম (অ-ত্যা-চারিত) গুনাহ সম্পূর্ণভাবে ধ/র্ষ/ণ"কারীর ওপর।
































































২__ ধ/র্ষ/ক কি জিনাকারী?
































হ্যাঁ, বরং সাধারণ জি"নার চেয়েও বড় অপরাধী। কারণ সে করেছে:জি"না, জু_লুম (অ/ত্যা"চা'র) নারীর সম্মান লঙ্ঘন
































সমাজে ফা_সা_দ সৃষ্টি। ইসলামী ফিকহে অনেক আলেম বলেন: ধ/র্কের শা"স্তি জিনার শা'স্তির চেয়েও কঠোর হতে পারে।
































































৩__ পাগল (নুপুরুষ/মানসিক ভারসাম্যহীন) ব্যক্তি জি/না করলে কি গুনাহ হবে?
































ইসলামের স্পষ্ট বিধান:
































মানসিকভাবে অক্ষম ব্যক্তির ওপর শরিয়তের বিধান কার্যকর হয় না।📖 হাদিস: “তিন শ্রেণির মানুষের ওপর থেকে কলম তুলে নেওয়া হয়েছে— ১. শিশু ২. ঘুমন্ত ব্যক্তি ৩. পাগল—যতক্ষণ না সে সুস্থ হয়।”
































(আবু দাউদ)✔️ অর্থাৎ: পাগল ব্যক্তি যদি স"হ/বা'স করে
































সে নিজের কাজ বোঝে না। ভালো-মন্দ বুঝার ক্ষমতা নেই, তাহলে তার গুনাহ হবে না।
































তবে রাষ্ট্র ও পরিবারকে সমাজের নিরাপত্তার জন্য তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে—এটা আলাদা বিষয়।
































































৪__ ধ/র্ষ/ণে/র শিকার নারীর সম্মান ও মর্যাদা কি
































ইসলামে ধ*র্ষ"ণে""র শিকার নারী: পাপী নয়,
































ল_জ্জি_ত হওয়ার কিছু নেই। সে আল্লাহর কাছে








সমাজের জন্য জরুরি বার্তা (অনুগ্রহ করে পড়ুন)
































❌ ধ/র্ষ/ণে/র শিকার নারীকে দোষ দেওয়া হারাম
































❌ তাকে চরিত্রহীন বলা গুনাহ
































❌ তাকে বিয়ে অযোগ্য ভাবা জা-হে-লি-য়াত
































✔️ দোষ শুধু একটাই—ধ/র্ষ/কের।
































































আর একটি কথা মনে রাখবেন—
































মজলুমের দোয়া আল্লাহ সরাসরি কবুল করেন।
































এই পোস্টটি শেয়ার করতে পারেন। হয়তো আপনার একটি শেয়ারে
































• একটি মিথ্যা ধারণা ভাঙবে
































• একটি নি/র্যা""তিত হৃদয় সান্ত্বনা পাবে
































• একটি গুনাহ থেকে কেউ বেঁচে যাবে সম্মানিত
































তার পাশে দাঁড়ানো সমাজের দায়িত্ব। রাসূল ﷺ বলেছেন

Comments

Popular posts from this blog

প্রাচীন রোমের এক ব্যক্তি ছিলেন সাইমন (Cimon)। তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়—শাস্তি ছিল ভয়ংকর:

মহিলারা স্বা"মী ছাড়া৩ ব্যা"ক্তির সাথে সহ"বাস কোনো পাপ হবেনা ল"জ্জা নয় জানতে হবেে#বিস্তারিত_কমেন্টে

ইরান যু*দ্ধের মধ্যেই ফের ভাইরাল বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী....see more